ঢাকা জেলা ভ্রমণ গাইড
বিভাগ: ঢাকা বিভাগ | ঢাকা থেকে দূরত্ব: প্রায় — কিমি
বাংলাদেশের রাজধানী ও প্রায় ৪০০ বছরের পুরনো শহর। মুঘল স্থাপত্য, পুরান ঢাকার খাবার আর আধুনিক শহরের মিশেল।
কীভাবে যাবেন
- local: শহরের ভেতরে মেট্রোরেল (উত্তরা–মতিঝিল), বাস, সিএনজি, রিকশা ও রাইড শেয়ারিং (উবার/পাঠাও)। পুরান ঢাকায় রিকশাই সবচেয়ে সুবিধাজনক।
প্রধান দর্শনীয় স্থানসমূহ (9টি)
- লালবাগ কেল্লা: ১৬৭৮ সালে মুঘল সুবেদার শাহজাদা আজম শাহের সময়ে শুরু হওয়া অসমাপ্ত দুর্গ। ভেতরে পরী বিবির মাজার, দরবার হল ও মসজিদ।
- আহসান মঞ্জিল: বুড়িগঙ্গার তীরে ঢাকার নবাবদের গোলাপি প্রাসাদ, এখন জাদুঘর। নবাবি আমলের আসবাব ও ছবি দেখা যায়।
- জাতীয় সংসদ ভবন: স্থপতি লুই কানের নকশায় তৈরি বিশ্ববিখ্যাত আধুনিক স্থাপত্য। চারপাশের লেক ও চন্দ্রিমা উদ্যানে বিকেলে ঘুরতে ভালো লাগে।
- হাতিরঝিল: শহরের মাঝখানে লেক, ব্রিজ আর হাঁটার পথ। সন্ধ্যায় আলোকসজ্জা ও ওয়াটার ট্যাক্সি জনপ্রিয়।
- জাতীয় জাদুঘর: দেশের সবচেয়ে বড় জাদুঘর; প্রত্নতত্ত্ব, ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধ ও লোকশিল্পের বিশাল সংগ্রহ।
- তারা মসজিদ: চীনামাটির টুকরো দিয়ে তারার নকশায় সাজানো আঠারো শতকের সুন্দর মসজিদ।
- ঢাকেশ্বরী মন্দির: ঢাকার সবচেয়ে প্রাচীন ও জাতীয় মন্দির, শহরের নামের সাথে জড়িত বলে ধারণা করা হয়।
- আর্মেনিয়ান চার্চ: ১৭৮১ সালে তৈরি আর্মেনিয়ানদের গির্জা, পুরান ঢাকার বহুজাতিক ইতিহাসের সাক্ষী।
- মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর: ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের দলিল, ছবি ও স্মৃতিচিহ্নের আধুনিক জাদুঘর।
কোথায় থাকবেন (হোটেল ও রিসোর্ট)
- প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও ও ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকা (বিলাসবহুল)
- গুলশান-বনানী, পল্টন ও ফার্মগেট এলাকায় মাঝারি মানের অনেক হোটেল (৳২,০০০–৬,০০০)
বিখ্যাত খাবার
পুরান ঢাকার কাচ্চি বিরিয়ানি, হাজীর বিরিয়ানি, বাকরখানি, বোরহানি, নান্না মিয়ার মোরগ পোলাও